Yahoo! 360° News | Beta Feedback
Start your own Yahoo! 360° page

ppm

Top Page  |  Blog  |  Feeds  |  Friends  |  Lists

  • School: Yale University

Add

ppm is not connected to you in Yahoo! 360°.

Last updated Fri Aug 17, 2007 Member since July 2005

Total Page Views

119,453

Tag Cloud

হারে রেরে রেরে, আমায় ছেড়ে দেরে দেরে Reply

1 - 5 of 154 First | < Prev | Next > | Last

বল গো Full Post View | List View

বাংলা ব্লগ। নার্সি-নাসির।

জইন্যা
টরোন্টো, কানাডা থেকে ইশতিয়াক আহমেদ

আমাদের পরিবারে গত কয়েকবছর ধরে জইন্যার (জনি-কে আদর করা ডাকা) জন্য প্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। স্থায়ী বাসিন্দাদের কথা নাহয় বাদ দিলাম, সাময়িক সদস্যরাও জনি-ভক্ত হয়ে পড়েন, মাত্র অল্প কিছুদিন আমাদের বাড়িতে আতিথ্যগ্রহণ করলে পরেই। বছর খানেক আগের কথা। দেশ থেকে তিন সপ্তাহের ছুটি কাটিয়ে বড় চাচা সবে ফেরত এসেছেন। ছুটি কেমন হল জানতে চাইলাম। জবাবের বেশ বড় একটা অংশ জুড়ে ছিল জনির গল্প। রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো একটা কুকুর কিভাবে আস্তে আস্তে একটি পরিবারের অতি কাছের একজন হয়ে ওঠে, সেটা খুব কাছ থেকে দেখতে পেলাম।

ছোট বেলা থেকে আজ পর্যন্ত কুকুরদের আমি খুব সমীহ করে চলি। শুরুতে জনির ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। গত ঈদে বাড়িতে গিয়ে সদর দরজা থেকে উঠোন সর্বত্র জনির আত্মবিশ্বাসী বিচরণ। দাদীকে দেখলাম নিজে কি খেয়েছেন তা নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই, আদরের জইন্যার জন্য কিছু খাবার অবশিষ্ট রাখা চাই। বাড়ির অন্য সবার জনির ব্যাপারে আদিখ্যেতা দেখে আমার মনোভাব খুব একটা প্রকাশ করলাম না।
দু-একদিন যেতে না যেতেই দেখলাম জনি-প্রিয়তা আমাকেও ধীরে ধীরে পেয়ে বসেছে। দরজায় ঢোকার মুখেই জনিকে লেপটি দিয়ে বসে না থাকতে দেখলে মনে হত কিছু একটা নেই। স্বভাবে খুবই নিরীহ, গোবেচারা টাইপের জনি অবশ্য প্রয়োজনে বেশ ভয়ঙ্কর রূপ নিত, বিশেষ করে যখন দেখতো বাড়ির সামনে সন্দেহজনক কোন লোক বা অন্য কোন কুকুর আনাগোনা করছে। আমাদের দারোয়ান বিদেয় করে দেয়া হয়েছে প্রায় মাস দুয়েক। সেই থেকে জনি বেশ আস্থার সাথে এই দায়িত্ব পালন করে এসেছে।

পৌরসভা বেওয়ারিশ কুকুর নিধন অভিযান শুরু করেছে। এদিকে জনির দেখা নেই কয়েকদিন হতে চলল। গলায় ফিতে ছাড়া কুকুর দেখামাত্র গুলি করা হচ্ছে। আলস্য, উদাসীনতা সব মিলিয়ে জনির জন্য এই ছোট কাজটি করা হয়নি! ইতোমধ্যে জনি ফিরে আসার জন্য আমার দু-বোন ৫০ টাকা দান করার মানত করেছে।

প্রতিদিনকার রুটিন অনুযায়ী আজ বাড়িতে ফোন দিলাম। ফোন ধরেই বুঝলাম মার খুব মন খারাপ। গলাটা কেমন যেন ভেজা শোনালো। মা জানালো -- আজ সকালে কেউ একজন জনির খোঁজ এনেছে। দেখেছে পৌরসভার ট্রাকে অনেক গুলো বেওয়ারিশ কুকুর -- তাদের মাঝে অন্তত একজন আছে যার এই দলে থাকার কথা ছিলনা ...

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০০৮


Wednesday September 17, 2008 - 06:01pm (PDT) Permanent Link | 0 Comments
হরিৎ বচন

টরোন্টো, কানাডা থেকে ইশতিয়াক আহমেদ

সপ্তাহ দুয়েক আগের কথা। এক লোকের কাঁধে একটি ব্যাগে হঠাৎ চোখ আটকে গেল। ব্যাগের গায়ে লেখা, "এই ব্যাগটি সবুজ"। দেখতে ব্যাগটি কুচকুচে কালো এবং সবুজ রঙের ছিঁটেফোঁটাও তাতে খুঁজে পেলাম না। পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা তৈরির এই ছোট্ট, অভিনব ব্যাপারটায় বেশ অভিভূত হলাম। পরিবেশবাদীরা তো আছেনই, মোটামুটি সব অঙ্গনের খ্যাতিমান লোকজন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ অব্দি আজকাল সবুজ সচেতন হয়ে উঠছেন। যেকোন কিছুতে একটা সবুজাভ মাত্রা যোগ করার পন্থা খুঁজে বের করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অফিসে হয়ত কোন ই-মেইল প্রিন্ট করতে চাইছি, দেখি নিচে প্রেরক তার ইমেইল স্বাক্ষরে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে -- "সত্যি কি ইমেইল-টা প্রিন্ট করাটা জরুরী?" বাসে বা প্লেনে চড়তে গেলে দেখা যায়, ওই ভ্রমণে নির্গত কার্বন পুশিয়ে নেয়ার তহবিলে দান করার ব্যবস্থা করে রেখেছে। কিছুদিন আগে এক ইমেইলে দেখি একটি কোম্পানী তাদের সার্ভার কার্বন নিরপেক্ষ বলে দাবি করছে। এধরণের হাজারো উপায়ে পরিবেশকে সবুজ করার প্রচেষ্টা চলছে সারা বিশ্বব্যাপী।

বুয়েটের হল জীবনে এক রুমমেট বন্ধুর ডাক নাম ছিল "সবুজ" -- এর বাইরে সবুজের সাথে আমার সম্পৄক্ততা নিয়ে বলার মত কিছুই ছিলনা। তবে গত বছর খানেক ধরে চেষ্টা করছি এর সাথে কিছু যোগ করা যায় কিনা। টরোন্টোর এক বন্ধুকে নিয়ে একটি ভিডিও ব্লগের সাইট খুলেছি বেশ কিছুদিন। উদ্দেশ্য ছিল সবুজ-সচেতন ভিডিও শেয়ারের মাধ্যমে লোকজনকে এই ব্যাপারে কিছুটা উদ্বুদ্ধ করা। সময়ের অভাবে অবশ্য এখনো পর্যন্ত তেমন প্রচার চালাতে পারিনি। পুনর্ব্যবহার উপযোগী পাটের ব্যাগের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিছু বন্ধু মিলে চেষ্টা করছি এই সুযোগে সোনালী আঁশকে এখানকার সমাজে ঢোকানো যায় কিনা। তাতে করে পরিবেশ রক্ষা এবং দেশের প্রবৃদ্ধি দুটোই হল।

সবাই যদি খানিকটা সচেতন হয়ে ওঠে তাহলে কিছুদিনের মধ্যেই এই পৃথিবী হয়ত অনেক বেশি বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। বলা যায়না পৃথিবীর সংজ্ঞাও হয়ত আমরা বদলে দিতে পারব -- পৃথিবী সৌর জগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ, আকারে প্রায় গোলাকার, দুপাশ কমলালেবুর মত চ্যাপটা, এবং ... দেখতে সবুজ


Tags: কার্বননিরপেক্ষ
Wednesday September 10, 2008 - 09:13pm (PDT) Permanent Link | 1 Comment
ওয়ার্ডপ্রেস
ঠিক করলাম, ইয়াহুর পাশাপাশি ওয়ার্ডপ্রেসেও এই ব্লগের একটা কপি প্রকাশ করব। লিংক এখানে

Monday September 8, 2008 - 08:25pm (PDT) Permanent Link | 0 Comments
দময়ন্তী - দুই
নল যেহেতু গুগল-প্রকল্প, কাজেই সেটার সাথে জুড়ে দেয়া হয়েছে একটা অর্থনৈতিক কাঠামো। যারা নল লিখবে, তারা ইচ্ছে করলে নলটির পাশাপাশি বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে। কোন লেখার সাথে কোন বিজ্ঞাপন যাবে, সেটি ঠিক করবে গুগলের বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা, এবং বিজ্ঞাপন আয়ের একটা অংশ পাবে সংশ্লিষ্ট নলের লেখক। কাজেই, কেউ যদি খুব ভাল, খুব জনপ্রিয় একটি নল লেখে, তাহলে জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি টু-পাইস কামানোর একটি ব্যবস্থা হতে পারে।

অন্য দিকে, উইকিপিডিয়ার কোন অর্থনৈতিক ভিত্তিই নেই, দান-খয়রাতের ভিত্তিতে চলছে এই ওয়েবাঙ্গন। উইকিপিডিয়া-র মূল পেজের নিচের দিকে লক্ষ্য করুন, দেখবেন এটি একটি নন-প্রফিট প্রতিষ্ঠান (অর্থাৎ যে প্রতিষ্ঠানের লাভ করবার ইচ্ছে নেই)। আর সবসময় না হলেও অনেক সময়ই, একই পেজের উপরের দিকে দেখবেন "আমাদের কিছু টাকা দিন" টাইপের আহ্বান। বিজ্ঞাপনি টাকার আকর্ষণ যদি না থাকে, তাহলে উইকিপিডিয়ায় এত লেখালেখি হচ্ছে কেন? কারণ, উইকিপিডিয়ার তীব্র সামাজিক আকর্ষণ। অনেক নিবন্ধই আছে, যেখানে মূল প্রবন্ধের তুলনায় নিবন্ধ নিয়ে আলোচনাই দীর্ঘতর (দেখুন বিতর্কিত আইরিশ রাজনীতিবিদ জেরী অ্যাডামস এর উপর নিবন্ধ, এবং এই নিবন্ধের উপর আলোচনা)। উইকিপিডিয়ায় অনেকে আছেন যারা মূল লেখার কাজটা করেন,
অনেকে অন্যের লেখা ঘষামাজা করে সুখ পান, কারো বা কাজ বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর চেষ্টা করে। সব মিলিয়ে একটা সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম। একবার এর মজা পেয়ে গেলে ছাড়া কঠিন। একটি প্রবন্ধের উপর কাজ করতে গেলে কখনও হয়ত ডাক পড়ে ভাষাবিদ কারো -- ইংরেজীটা দেখে দেবার জন্য, নিবন্ধের কাঠামো ঠিক করবার জন্য কখনও ধরতে হয় এসব ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ কাউকে, কখনও মাথাগরম দু-তিনজনের ঝগড়া থামানোর জন্য দরকার হয় ঠাণ্ডা প্রকৃতির লোক।

একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধ এবং তার সংশ্লিষ্ট আলোচনা-পত্র তবে এক সামাজিক দলিল, বহু লেখকের সহকর্ম, বহু ব্যক্তিত্যের সংঘর্ষের ফসল। এই সামাজিক ইকোসিস্টেমের সাথে গুগলের অর্থনৈতিক কাঠামো প্রতিযোগিতা করতে পারবে কিনা সেটা ধীরে ধীরে জানা যাবে। আপাতত কিন্তু উইকিপিডিয়া অনেক এগিয়ে -- "দময়ন্তী" লিখে গুগল-খোঁজ করুন, প্রথমেই আসবে উইকিপিডিয়ার আশ্চর্য রকমের তথ্যবহুন নিবন্ধটি। নলের, যথারীতি, কোন দেখা নেই

শেষ।

Monday September 1, 2008 - 08:05pm (PDT) Permanent Link | 3 Comments
দময়ন্তী - এক
ইন্টারনেটে অনেক কিছুই হচ্ছে, আগে হয়নি এমন। যেমন, টাটকা খবর দেয়ার ব্যাপারে অনেক সময় সংবাদপত্র বা টেলিভিশনকে টেক্কা দিচ্ছে ব্লগসমাজ। আরেকটা উদাহরণ হল, উইকিপিডিয়া। এনসাইক্লোপিডিয়া বা জ্ঞানকোষ জিনিসটা অনেক কাল থেকেই লেখা হয়ে আসছে, আর বিশেষভাবে গত দু-তিনশ বছরে তো বটেই, কারণ বিশ্বকোষের ধারণাটা জ্ঞানের সর্বজনীনতা এবং সর্বজনীন শিক্ষা, এই দুই আধুনিক ধারণার সাথে খাপ খায় ভাল। কিন্তু উইকিপিডিয়া শুধু সর্বজনীন নয়, সর্বজনসম্ভূত। যে কেউ উইকিপিডিয়ায় লেখা-লেখি করতে পারেন; এবং অনেকেই করেন। এভাবেই এই বিরাট বিশ্বকোষটি গড়ে উঠেছে -- ইংরেজী উইকিপিডিয়ায় এই মুহূর্তে ২৫ লাখ বিষয়ে নিবন্ধ রয়েছে, এত বেশি আর কোন বিশ্বকোষে নেই। এর মানও খারাপ নয়, প্রায় যেকোন বিষয়ে গুগল-খোঁজ করলে প্রথম দিকেই উইকিপিডিয়ার প্রাসঙ্গিক নিবন্ধটি পাওয়া যাবে

এসব দেখেই হয়ত, গুগল চালু করেছে একই ধরণের এক ওয়েব-চর্চা। এর নাম তারা দিয়েছে "নল", শব্দটি নেয়া হয়েছে "নলেজ" থেকে। ইন্টারনেটে এবং উইকিপিডিয়ায় যে গণতান্ত্রিকতা আছে, তা আছে নল-এও; কিন্তু বেশ কিছু পার্থক্যও আছে। এই পার্থক্যগুলি গুগলিয় দর্শন এবং উইকিপিডিয়া-দর্শনের মধ্যে যে পার্থক্য, তারই প্রতিফলন। উইকিপিডিয়ার দর্শনের পেছনে আছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর এক মহৎ আন্দোলন (যারা প্রোগ্রামিং সম্বন্ধে জানেন না তাদের এটি নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই, উইকিপিডিয়ার দর্শন সরাসরিই বোঝা যেতে পারে), যার ফলে অনেকে মিলে একটি নিবন্ধ, বা একগুচ্ছ নিবন্ধের উপর কাজ করবার ধারণাটি উইকিপিডিয়ার মজ্জাগত। শত-শত, এমনকি হাজার-হাজার লোকের একটি নিবন্ধের উপর কাজ করাটা মোটেও অস্বাভাবিক নয় উইকিপিডিয়ায়। নলে এই জিনিসটা নেই। এখানে একটি নিবন্ধ লিখবে একজনই, বা বড়জোড় তার বাছাই করা আর দু-একজন। ফলে বহু লোকে মিলে বিশ্বকোষটি গড়ে তুললেও নিবন্ধগুলিকে আলাদাভাবে গণনির্মান বলা চলে না।

আবার একটা দিক নল-এই স্বাধীনতা বেশি। "ফেনসিডিল সেবন করিলে লোকে কেন চায়ে চিনি বেশি খায়" শীর্ষক কোন লেখা উইকিপিডিয়ায় নেই, এবং থাকতেও পারেনা। উইকিপিডিয়ার নিবন্ধের বিষয় হতে হবে সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক, তা না হলে কেউ এসে নিবন্ধটি মুছে দিতে পারে। অনিল চৌধুরীর উপর নিবন্ধ যাকে মুছে না দেয়া হয়, এজন্য আমি নিজেই ঝগড়া করেছি উইকিপিডিয়ায়, অক্ষয়কুমার দত্ত বা এরকম আরেকটি নিবন্ধ নিয়েও একবার সমস্যা হয়েছিল মনে পড়ছে। নল-এ এসব কোন বালাই নেই। নিবন্ধের বিষয় প্রায় যেকোন কিছুই হতে পারে। সেটা মন্দ নয়, কারণ "ফেনসিডিল সেবন করিলে লোকে কেন চায়ে চিনি বেশি খায়" এটা আমার কাছে ঠিক পরিষ্কার নয়, একাধিক ব্যাখ্যা শুনেছি। এ বিষয়ক নল-নিবন্ধটি কেউ লিখবেন কি?

চলবে।


Tags: উইকিপিডিয়া, নল
Monday August 25, 2008 - 09:22pm (PDT) Permanent Link | 3 Comments

Add বল গো to your personalized My Yahoo! page:

Add to My Yahoo!RSS About My Yahoo! & RSS
1 - 5 of 154 First | < Prev | Next > | Last