Yahoo! 360° News | Beta Feedback
Start your own Yahoo! 360° page

kabir

Top Page  |  Blog  |  Friends  |  Lists  |  Groups

  • School: IIUC

Add

kabir is not connected to you in Yahoo! 360°.

Last updated Wed Sep 10, 2008 Member since September 2007

good bye blue sky ...

1 - 5 of 40 First | < Prev | Next > | Last

saj's Diary Full Post View | List View

L O A D I N G . .

নিরিন্দ্রিয় (পর্ব তিন)
নিরিন্দ্রিয়  (পর্ব তিন) magnify

হঠাৎ করেই টিউব লাইটটা নিভে গেল, কিছুক্ষণ পরে আবার নিজে থেকেই জ্বলে উঠল- কিন্তু পুরাপুরি জ্বল্যো না, খালি জ্বলতে নিভতে থাকলো, রহস্যময় আলো আঁধারির খেলা আরাফাত ভাই নিঃশব্দে আমার পাশ থেকে উঠে গিয়ে টিউব লাইটা ওফ্ করে ১০০ পাওয়ারের বাল্ফটা জ্বালিয়ে দিলেন সারা ঘর হালকা হলদেটে আলোয় ভরে উঠলো ঘরে তখন আমি, আরাফাত ভাই, কায়েস সাহেব এবং ওনার সাথে আসা লোকটা এই চার জনই কেউ কোন কথা বলছে না, চুপচাপ সম্ভবত ভেতরে বিকালের নাস্তার আয়োজন করা হচ্ছে কাচ পিরিচের টুং-টাং আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে আমি তখন একটু অন্যমনষ্ক ছিলাম , কি মনে হলো- কায়েছ সাহেবের দিকে তাকিয়ে দেখি উনি এক দৃষ্টিতে আমার দিকেই তাকিয়ে আছেন আমি সৌজন্য মূলক একটা হাসি দিলাম

কায়েস সাহেব : ভাল আছেনতো ভাই ? আপনাকে দেখে চিন্তিত মনে হচ্ছে

(এতো সহজ সুরে উনি আমাকে প্রশ্নটি করলেন, যেন আমরা বহুদিনের পরিচিত)

আরে না এমনিতেই একটু অন্যমনষ্ক হয়ে গিয়েছিলাম আলহামদুলিল্লাহ্, আমি ভালই আছি আসলে, এইযে এই বাড়িতে যে বিচিত্র সব ঘটনা গুলো ঘটছে এবং আপনি আজকে যে জন্য এসেছেন, তার উপর আপনি গতানুগতিক ধারার চেয়ে একদমি ভিন্ন- মানে-আসলো, আমি বলতে চাচ্ছিলাম আপনার জায়গায় আমি অন্য রকম...! যাই হোক- আমি আসলে এই সব ব্যেপারেই একটু ভাবছিলাম, এই আর কি দয়াকরে কিছু মনে করবেন না

কি যে বলেন ! আমি বুঝেছি, আপনি ভেবেছিলেন কালো আলখাল্লা পড়া, রবীন্দ্রনাথের মত দাড়ি ওয়ালা কাউকে দেখবেন তাই না, হা হা হা ! আসলে হয়েছে কি জানেন আজকাল অনেকেই জ্বীন-ভূতে বিশ্বাস করে না পৃথিবী অনেক এগিয়ে গিয়েছে বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য উন্নতি হয়েছে এখন সবাই প্রমাণ চায় যুক্তি দিয়ে বুঝতে চায় মানুষ কুসংস্কার থেকে অনেকাংশে বেরিয়ে এসেছে কিন্তু যা আসলেই সত্য তাকেতো আপনি কখনো অস্বিকার করে থাকতে পারেন না তাই না !

জ্বীন আল্লাহ তালার সৃষ্টি জীবহাশরের সময় মানুষ ও জ্বীন ছাড়া আর কারও বিচার হবে না - এই কথা স্পষ্ট ভাবে আমাদের পবিত্র গ্রন্থ কোরআন মাজিদে উল্লেখ করা আছে সুরা আল-জীন নামে পূর্ণাঙ্গ একটা সুরা কোরআন শরিফে আছে এছাড়াও বিভিন্ন হাদিসে এর সম্পর্কে সুস্পষ্ট ভাবে বলা আছে

আরে নাআপনি আমাকে ভুল বুঝলেন, আমি অবিশ্বসের কথা বলছিলাম না ! আচ্ছা- আমি রাহাতের কাছ থেকে যতটুকু শুনলাম, আপনি জ্বীন পালেনএই সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন

জি জনাব, আমার সাথে বুড়কাব নামের এক জন জ্বীন থাকে একে আমি আমার পৈতৃক সূত্রে পেয়েছি আমার বড় দাদা-হুজুর, বিশিষ্ঠ আলেম ও কালেম ব্যেক্তি ছিলেন উনি আল্লাহর ইচ্ছায় দুই জন জ্বীনকে বশে এনেছিলেন- বুড়কাব কিবরাল তাদের কে বশে আনা হয়েছিল মানুষের উপকার করার জন্য আপনি হয়তো জানেন আমাদের মানুষের মধ্যে যেমন ভাল-মন্দ আছে জ্বীনদের মধ্যেও সেই রূপ ভাল-মন্দ আছেতাদেরও সমাজ আছে, সংসার আছে, নিজস্ব কিছু বৈশিস্ট আছে, কিছু ক্ষমতা আছে আল্লহ মানুষকে সৃষ্টি করছেন মাটি দিয়া আর তাদের কে আগুন দিয়া, তাই আমাদের সাথে তাদের আনেক তফাত তারা উড়তে পারে গায়েবের কিছু খবরও বলতে পারে মানুষ এর ক্ষেত্রে বস্তুর যে সব ধর্ম কাজ করে তাদের ক্ষেত্রে করে নাতাদের শরিরের বল, আয়ু আমাদের থেকে অনেক বেশি বুড়কাব মানে আমার কাছে যে জ্বীনটি আশে তার বয়স প্রায় ৩০০ বৎসর এবং এখনো সে যুবক জ্বীন আমরা খালি চোখে দেতে পারিনা, তবে তারা আমাদের দেখতে পারেআবশ্য জান্নাতে গিয়ে ব্যাপারটা হবে উল্টা তাদের আমরা খালি চোখে দেতে পারব, তারা আমাদের দেখতে পারবে না হা হা হা...

(কথার এই পর্যায় রাহাত ও বড় চাচা ট্রেতে করে খাবার নিয়ে রুমে ঢুকলো খাবার খেতে খেতে কথা চলতে থাকল)

আরাফাত ভাই : আচ্ছা জ্বীনকে মানুষের কাজে কিভাবে লাগনো হয় ?

আগেই বলছি, মানুষের মধ্যে যেমন ভাল-মন্দ আছে জ্বীনদের মধ্যেও তেমন ভাল-মন্দ আছেভাল মানুষ জ্বীনকে ভাল নিয়তে কাজে লাগায় আর খারাপ মানুষ খারাপ জ্বীন আসমানে ফেরশতাদের কথোপকথন শুনে, সে কথা সে মানুষ কে জানায় মানুষের ক্ষমতা অনেক ভাল লোক আল্লাহ পকের পবিত্র কালাম ব্যবহার করে মানুষের উপকার করে আর খারাপ লোকরা, শয়তানের চেলারা ঐ পবিত্র কালাম কে বিকৃত ভাবে ব্যবহার করে, কুফ্রী কালাম করেদুনিয়ার কারণে মানুষের ক্ষতি করে

আরাফাত ভাই : আচ্ছা আমি শুনেছি ইবলিছ শয়তান এক জন জ্বীন ?

জি আপনি ঠিক শুনেছেন দুনিয়ার এমন কোন স্থান বাকি ছিলনা যেখানে আল্লাহ্ তালার ইবাদতে সে মাথা ঠেকায় নাই, সেজদা দেয় নাই আল্লাহ্ খুশি হয়ে তাকে ফেরেশতাগনের সর্দার বানিয়ে দেন চিন্তা করেন কতো বড় মর্তবা, কিন্তু ঐ উজবুক আল্লাহর নাফরমানি করলো , আদম (আঃ) কে সেজদা করলো না অহংকার দেখালো এবং অভিশপ্ত হলো আল্লাহ তাকে শয়তান বানালেন

ভাই সময় অনেক হল এখন কাজের কথায় আশি আমি এখন এখানে জ্বীন বুড়কাব কে ডাকবো এই বড়ির কি সমস্যা তা জানার জন্য কথা গুলো কায়েস সাহেব বেশ গম্ঘির সুরেই বল্লেন

জ্বীন বুড়কাব খুবই পরহেজগার জ্বীন সে এখানে আসলে কেউ কোন রকম বেয়াদবী করবেন না তাহলে ফল খারাপ হতে পারে আমার সাথে যে ছেলেটা আসছে, ওর নাম শরিফ । (আমরা সবাই তার দিকে তাকালাম) ও জন্মের পর থেকে আমার সাথে আছে ও কানে শুনে না, কথাও বলতে পারে না ঘরের মা-বোনদের বলবেন মাথায় কাপড় দিতে কেউ ভয় পাবেনা এক মাত্র ভয় আল্লাহ কে জ্বীন ঘরে আলো থাকলে আসে না তাই এ বাড়ির সকল আলো নিভিয়ে দেন বুড়কাব থাকা পর্যন্ত কোন আলো জ্বলবেনা

আজকে বুড়কাব আমার উপর ভর করে নামবে যার যা প্রশ্ন আছে করবেন আল্লাহর ইচ্ছা থাকলে জবাব দিব- ইনশাআল্লাহ্

ঘরে জ্বন আসছে মুহুর্তের মধ্য সবার ভিতরে কেমন তরঙ্গ খেলে গেল স্যতি বলতে কি আমিও উত্তেজনাটা চরম ভাবে অনূভব করছিলাম ঘরের ভিতর থেকে চাচী বড় চাচা কে ডেকে নিয়ে গেলেন ভিতরে চাচী আর সাদিয়ার একা একা ভয় লাগছে কায়েস সাহেব বিছানায় উঠে বসলেন, আমারা একটু দূরে তার মুখামুখি সোফাতে এর মধ্যেও কানে কানে বলা আরাফাত ভাই এর কথা গুলো মজার লাগলো

ভাই জিন্দেগিতে যত্তো দোয়া কালাম শিখছেন পইড়া ফালান আমি একবার পড়ছি এখন আরেক বার রিভিশন দিতাছি ... বুঝচ্ছেন

হাতের কাছে টর্চ রেখে সারা বাড়ির সমস্ত আলো নিভিয়ে দেওয়া হল চারিদিকে এখোন ঘুটঘুটে অন্ধকার সবাই একদম নিশ্চুপ কেমন এক আজব অনুভুতি শ্বাস প্রশ্বাসের গতি দ্রূত বেড়ে গেল চোখ খোলা কিন্তু কিছুই দেখতে পাড়ছিনা এই সময় শুনলাম কায়েছ সাহেব বিচিত্র কিছু শব্দ বারেবারে বলছেন যেমন অজানা কোন মন্ত্র পড়ছেন একি ছন্দে ওনার প্রতিটি উচ্চারণ খুবই স্পষ্ট সারা ঘরে এই শব্দের প্রতিফলন হচ্ছিল বেশ অনেক ক্ষণ ধরে এই রকম চোল্লো এক সময় উনি একদম চুপ হয়ে গেলেন, ততোক্ষণে আন্ধকার কিছুটা চোখে সয়ে এসেছে মানুষের অবয়ব গুলো বুঝতে পারছি সারা ঘর একদম নিশ্চুপ আমি খালি বুকের ধুক্ ধুক্ শব্দ পাচ্ছি হঠাৎ খাটের উপর ধুপ করে শব্দ হলো যেন উপোর থেকে কিছু পড়লো ঘরে কিছু একটা পরিবর্তণ হলো , কিছু একটার উপস্থিতি স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছিল রুমে বিচিত্র একরকম গন্ধ কায়েস সাহেব তখনো আগের মত করেই খাটের উপর বসে আছেন, কোন রকম নড়াচড়া করছেন না

সবাই চুপ এবং ঠিক এই সময়ই প্রচন্ড কর্কশ স্বরে কায়েস সাহেব বলে উঠলেন (এ স্বরে কোন মানুষের হতে পারেনা অসম্ভব! যেন কোন ভারি, বড় লোহার পাতকে কেউ মাটিতে ছেচড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে আওয়াজেটা পুরা বুকে এসে ধাক্কা দিচ্ছে )

আস্সালামুআলাইকুম (সারা ঘর গম গম করে উঠলো)

আমি বুঝছিলাম না কি হবে ! আমাদের মাঝ থেকে রাহাত সালামের জবাব দিল এবং প্রশ্ন করা শুরু করলো

এই বাড়িতে কি দোষ আছে ?

একটু সময় নিয়ে উত্তর আসলো কেমন ভেঙ্গে ভেঙ্গে - এটা মৃত্যু কূপ ! বহু জিন্দা জান কবর পড়েছে এখানে আব্দুল সুবহানের বড় ছেলে আব্দুল করিম ওমর ফারুকের ছেলে বজলুর রহমান পরিমল সাহার ছেলে তন্ময় সাহা... এই রকম ২০/২৫ টা নাম বল্লো সে

কেমনে মারলো ? (আরাফাত ভাই জিজ্ঞাস করলেন)

(এই সময় বুড়কাব আমাদের একটা খুনের বর্ণনা দিল , এতো জীবন্ত যেন খুনটা ঠিক আমাদের সামনেই হচ্ছে)

পার্থ-সারথি, জন্ম ছিল চন্দ্র মাসের দ্বিতীয় পক্ষে পৈতৃক নিবাস- বিক্রামপুর মকঢ় রাশির জনক এক মায়ের এক সন্তান কোন ক্ষুত নাই , তাই আমাবরস্যার রাতে ইবলিছের পায়ে বলি হলো হাত পিছ মোড়া করে বাঁধা, চোখ বাঁধা, পা বাঁধা শরিরে নেশার বিষ দুই জন উপুর করে যেতে ধরে আছে মাটির সাথে অন্ধকারে রাম-দাঁর এক কোপ পড়ে ঠিক ঘাড় বরাবর ধর ছিটকে চলে যায় দুই হাত দুরে , দেহে তখনো জান আছে , মাথা বিহিন দেহটা বাঁধা অবস্হায়ও ধরফর ধরফর করে লাফায় দেহটাকে জোরে চীত করে ধরে দুজন কাটা গলা দিয়ে ফিঁনকি দিয়া রক্ত বেড় হচ্ছে তখনো সজোরে বুক বরাবর হাত চালিয়ে দেয় কেউ শরিরের ভিতর থেকে হৃৎপিন্ড টাকে একটানে ছিড়ে নিয়ে আসে পৌশাচিক এক হাসি ভেদ করে যায় মাঝরাতের নিস্তব্ধ তাকে পার্থ-সারথির ধরবিহিন নিথর দেহ মাটি চাপা পরে ঠিক এই খানেই

(আমরা সবাই চুপ হয়ে থাকি কিচ্ছুক্ষণ, ঘরের ভেতর থেকে ফুপিয়ে কান্নার আওয়াজ পাওয়া যায় আমার মাথা কাজ করছেনা এই অন্ধকারে নিস্তদব্ধতার মাঝে কান্নার আওয়াজ, বাতাসে বিচিত্র গন্ধ আর কেমন একটা আতঙ্ক সবকিছু মিলিয়েই কেমন একটা চাপ অনূভব করছিলাম )

নিস্তদব্ধতা ভেঙ্গে রাহাত প্রশ্ন করলো - এ বাড়ির ক্ষতি করতে চায় কেউ ?

চায় এ বাড়ির চার কোনায় বিশ হাত নিচে চার খানা তাবিজ পোতা আছে এ বাড়িতে ইবলিছ ভর করে আছে বাড়ির সবার রক্ত শুষে নিচ্ছে ক্ষতি চায় তাবিজ করছে, কুফরি কালাম করছে যখন সূর্য ঠিক মাথার উপর, বাড়ির কর্তার মাথার চুল নিয়ে চার রাস্তার মোড়ে মুরগী বলী দিয়ে, চীতল মাছের কাটায় চুল প্যেচায়ে তাবিজ করেছে বড়ই কঠিন প্যেচ

আপনি প্যাচ ছাড়ানোর ব্যবস্হ্যা করেণ

এটা আমার পক্ষে করা সম্ভব না এখানে শয়তান মানুষের রূপ নিয়ে আছে তার শক্তি অনেক বেশি

আমি খালি মাটির নিচে পোতা তাবিজ উঠায় দিতে পারি

ভিতর থেকে বড় চাচার উত্তেজিত কন্ঠস্বর শুনা গেল ; ওনাকে কে বল্ তাবিজ উঠায় দিতে, ওনাকে কে বল্ তাবিজ উঠায় দিতে, এক্ষুণি! এক্ষুণি!

কায়েসের শরীর কাঁপা শুরু করলো , আস্তে আস্তে কাঁপুনি বাড়তে লাগলো ,এক পর্

Sunday March 23, 2008 - 12:43am (BDT) Permanent Link | 19 Comments
নিরিন্দ্রিয় ( পর্ব দুই )
নিরিন্দ্রিয়  ( পর্ব দুই ) magnify

ভয়ের সঙ্গা কি আমার তা জানা নাই । অনেকে বলে অজানাই হলো ভয় । অন্ধকারে ভয় হয়, অনেক পরিচিত জায়গাতেও অন্ধকারে ভয় লাগে । কারণ অন্ধকারে সব কিছু কেমন রহস্যময়- । অনেকে আবার বলে ভয়ের নাকি আলাদা একটা গন্ধ আছে । ভয়ের অনুভূতিটা শুধুই মানসিক না, ভয়ের অনুভূতিটা সমগ্র শরীরে অনুভূত হয়। ভয়ে অচেতন মন শরীরকে শীতল করে দেয়- প্রচন্ড জোরে হৃৎপিন্ড বাজতে থাকে -ধ্রিম. ধ্রিম. । আচ্ছা তুমি কি এখন অন্ধকারে না আলোতে ?

.

আমার যে স্বপ্নটার কথা বলছিলাম সেদিন, স্বপ্নে একটা সময় আমি প্রচন্ড একটা ভয়ের মধ্যে তলিয়ে যেতে থাকি। মুখ দিয়ে গোঙ্গানির মতো আওয়াজ হতে থাকে- ঘুমটা হঠাৎ ভেঙ্গে যায়। আমার সারা গা ঘামে চপচপ । কিছুক্ষণ কোন কিছু চিন্তা করার ক্ষমতা থাকে না । আস্তে আস্তে কিছুটা স্বাভাবিক হই। মসজিদ গুলোতে ফজরের আজান দিয়া শুরু হয় । ভোর বলে আজানের শব্দ খুব জোরে শুনা যায় । তার সাথে ঢাকার এত্তগুলা মসজিদের আজান এক সাথে- মনে হয় সব আজানই শুনতে পারছি । মন যুক্তি দেয় ঐটা নিছক দুঃস্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই না । হয়তো কোন গুড়ুপাক খাবারের ফল ।

.

না সেদিন ঐ অজানা লোকটার সাথে আর chat করা হয় নাই । শুধু messenger close করার সময় চোখে পড়েছিল, লেখা ছিল, u stl hve time, listen 2 me. or b ready 4 d consequences. যাই হোক, আমি ধরেই নিয়েছিলাম কোন বন্ধু বা যেই হোক আমার সাথে মশকরা করছিল । স্বপ্নের ব্যাপারটা ঝড়ে বক মরার মত, আর যে ছুরির কথা বলছিল লোকটা । ধুর ! ভাবলেতো এখন হাসিই পাচ্ছে!

.

হঠাৎ করেই স্বপ্ন দেখা একদম বন্ধ । privet একটা firm Jobনিলাম as an Assistant Marketing Manager চাকরিতে Join করে আমার Boss মানে Manager সাহেবকে আর দেখি নাই । তিনি আছেন USAতে, ছুটিতে। তার কাজের দায়িত্ব সব আমার । সারাদিন কাজ নিয়ে এতই ব্যস্ত থাকি যে রাতে প্রচন্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ি, তাই স্বপ্ন দেখাতো দুরের কথা- ঘুমানোর পর ঘরে ডাকাতি হলেও হুশ পাবো না । তবে Job টা আমি খুবই enjoy করছিলাম । আমার উপর কারও Authority না থাকায় নিজের মত কাজ করার একটা সুযোগ ছিল । আর Chairman Sir তো আমার চেহারা দেখলেই খুশি । আমার কোন কথাতেই তার না নাই । কোম্পানির Marketing এর ব্যাপারে আমি যা বলি তাই । কাজও করছিলাম ভাল- তাই কোন সমস্যা হচ্ছিল না । Officeএ ছোট বড় সবার সাথেই ভাল একটা সম্পর্ক ছিল তবে Chef Engineer আরাফাত ভাই এর সাথে খাতিরটা একটু বেশিই ছিল । আরাফাত ভাই BUTE থেকে পাশ করছেন । তার আসর জমানোর ক্ষমতা অসাধারণ। ছোট্ট একটা বিষয়কে তিনি এমন ভাবে উপস্থাপন করেণ যে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যায়। মারত্মক রসিক লোক আমাদের এই আরাফাত ভাই । তিনি আমাকে ডাকেন মার্কেটিং সাহেব বলে । একদিন আমি আমার রুমে বসে Sales Record এর কাগোজ পত্র নাড়াচাড়া করছি এই সময় অরাফাত ভাই রুমে উকি দিয়ে বললেন ; কিহে young man তুমি কাগজ খাওয়া শুরু করলা কবের থেইক্কা । যেমনে মুখ গুইজ্জা কাগজ পত্তর দেখতাছ সত্যি কইলাম- নে হইতাছে মাঝে মাঝে চামে কাগজ খাইতাছো হা হা হা । ভাল ভাল তোমারে দিয়াই হইবো ।

.

হাহ্... কি যে কন আরাফাত ভাই, আপনি পারেনও । আমারে কি সুন্দর ছাগল বানায় দিলেন ।

.

আরে মিঞ্চা কি কও, মাইন্ড খাইলা নাকি ! আমিতো মশকরা করছিলাম । যাই হোক থুক্কু । এখন বলো সামনের Weekend কি করতেছ ?

.

কোন Plane নাই । কেন ভাই ? কোন সমস্যা ?

.

আব্বার জিগায় ! এইটাই তো চাই ছিলাম । আরে রাখ্খো তোমার সমস্যা , শুক্রুবার সন্ধা তুমি আর আমি মিল্লা এক জায়গায় যা Evening টা Free রাইখ্খো কইলাম ।

.

আপনার জন্য জান হাজির, তবে ব্যাপারটা কি বলবেনতো ।

.

Heavy Interesting ব্যাপার । OK তোমাকে খুলেই বলি । আমার বড় চাচা কিছুদিন হলো Retire করেছেন । একটা সরকারি চাকরি করতেন- তবে খুবই সৎ ও পরহেজগার লোক । সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়া কোন রকমে একটা বাড়ি করছেন ঢাকার শনীরআঁখরায় । কি শনীরআঁখরা জায়গাটা চিনছ তো ? Chittagong Road এর পশে, ঐ যে MP সালাউদ্দিনরে public যে দৌড়ানি দিল ঐ জায়গা হা হা হা ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ জায়গা । সন্ত্রাসিগো আঁখরা । ঐ ঘিন্জি জায়গায় দুনিয়ার সক্কল আকাম হয় । কোন আক্কেলে যে চাচা জান ঐখানে বাড়ি বানালেন ? যাই হোক যা বলছিলাম । ঐ বাসায় কয়েক দিন ধরে বলে কি সমস্যা হচ্ছে । তাই চাচাজান ঠিক করছেন কোন কামেল হুজুর দিয়া বাড়ি বাঁধাবেন । আমার বড় চাচির বড় ভায়ের ছেলে রাহাত । সে এই সব তুকতাক ঝারফুঁক জীনভূত নিয়া Heavy গবেষনা করছে । ঐ রেজাই এক জীন সাধক ফকির বাবা কে নিয়ে আসছে শুক্রুবার সন্ধায় । কোন মানুষ না ঘর বাঁধান হবে জীন রে দিয়া হা হা হা.. তুমি আর আমি যাব কাহিনী দেখতে, কি রাজিতো ?

.

এই রকম একটা Thrilling প্রস্তাব নাকোচ করার কোন যুক্তিই ছিলনা । তাই এক কথায় হা বলে দিয়েছিলাম । আসলে নিয়তির উপর আমাদের কতটুকুই বা করার আছে । আর সময়ের আগে আমরা কতটুকুই বা জানতে পাড়ি । ইস্ দি জানতে পারতাম ওখানে আমাদের জন্য কি অপেক্ষা করছে !

.

আমার বাসা গেন্ডারিয়ায় । শনীরআঁখরা আমার বাসা থেকে খুব বেশি দূর না তাই ঠিক হলো আরাফাত ভাই আমার বাসায় আসবেন, আমরা একসাথে ওনার বড় চাচার বাসায় যাব । কথামতো ঠিক পাঁচটার সময় আমরা করে রওনা দিলাম । আমরা CNG করে যাচ্ছিলাম, রাস্তায় আরাফাত ভাই বড় চাচার বড়ি সম্পর্কে কিছু তথ্য দিলেন।

.

বুঝলা মার্কেটিং সাহেব , চাচা যে যায়গায় বাড়িটা বানায়ছেন সেটা আসলে একটা Graveyard খুব বেশি দিন আগের কথা না এই ধরো 90র দকেও জায়গাটা জংলা টাইপের ছিলো । মানুষ জন বেশি ছিলনা , সব টপ টেররদের আস্তানা ছিল ঐ জায়গা । শোনা যায় চাচা যে জায়গাটা কিনেছেন ঐ জায়গাতে মানুষ খুন করে লাশ গুম করা হতো । চাচা বাড়ি বানানোর সময় এমন কিছু আলামত পেয়েছিলেন । কন্তু তখন কাওকে কিছু বলেন নি ।

.

আলামত বলতে human body part, I mean মাথার খুলি হার এ সবের কথা বলছেন ?

.

জি, exactly তাই । চাচা তখন বাসার কাউকে কিছু বলেন নাই কারণ ভেবেছিলেন এতে হয়তো সবার মনে অহেতুক ভয় ঢুকে যাবে । কিন্তু ইদানিং নাকি বাসায় কি সব আজব আজব কাহিনি হচ্ছে। you know some thing unexplainable.

যেমন চাচা বড় মেয়ে সাদিয়া । ওহ্ তোমাকে তো বলা হয় নাই চাচার একটাই মেয়ে নাম সাদিয়া, এইবার HSC দিবে । যা বলছিলাম, সাদিয়া নাকি বাড়িটাতে খুব ভয় পায় । ও বলে কি সব জিনিস দেখে । ধরো ও ওর টেবিলে বসে পড়ছে- আর কে বলে ওর পিছনে এসে দাড়ায়, পায়ের শব্দ শুনা যায় , ঘাড়ে নিশ্বাস পড়ে- কিন্তু ঘরে অসলে কেউই নাই । আবার সেই দিন নাকি চাচী আর ও ড্রয়িং রুমে বসে টিভি দেখছিল এমন সময় দুজনাই বলে স্পষ্ট দেখছে কে যেন টয়লেট থেকে বের হয়ে ন্তরার রুমে ঢুকে বিশাল শব্দ করে গেট বন্ধ করেদিল । যেয়ে দেখা গেল ভিতর থেকে ছিটকিনি লাগানো । শেষে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকতে হয়ছে কিন্তু রুমের ভিতর কাউকেই পাওয়া যায় নাই । তাছাড়া কলের পানিতে পঁচা লাশের গন্ধ- যার কোনই ব্যাখ্যা নাই কারণ বাসায় নতুন পানির টাংকি লাগান হয়েছে , আশেপাশেও এইরকম কোন সমস্যা নাই-

.

ওরে বাবারে! এতো রীতিমত ভূতুরে ব্যাপার । ২০০৮ সালে এসে , ঢাকা শহরের ভিতরেই এই রকম ঘটনা, ভাবাই যায়না । আমার কেন জানি মনে হচ্ছে কোথাও একটা কিন্তু আছে ।

.

মর্কেটিং সাহেব তুমি হয়তো ঠিকই বলছো । কিন্তু কি জানো, আমাদের চারপাশে কত রহস্যময় ঘটনাই তো ঘটে । আমাদের কাছে কয়টারই বা ব্যাখ্যা আছে । প্রকৃতি রহস্যময়তা পছন্দ করে । সব কিছুর ব্যখ্যা আল্লাহ্ তালাও মানুষের কাছে খোলাসা করেণনি । তুমি কি জানো হুজুর (সাঃ) যে আল্লাহ প্রেরিত প্রকৃত নবী ও রাসুল সে কথা তৎকালিন ইহুদিরা তাদের ধর্ম গ্রন্থের মাধ্যমে খুব ভালোমতই জানতো । কাফেররা এই জ্ঞনপাপী ইহুদিদের কাছে গিয়েছিল উপায় খুঁজতে, যে কিভাবে প্রমাণ করা যায় যে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ছলনা করছেন । (নাউজুবিল্লাহ !) ইহুদি পন্ডিত তাদের তিনটি প্রশ্ন শিখিয়ে দিয়েছিল । তার মধ্যে একটা প্রশ্ন ছিল “রুহ্” কি? সত্য নবী হলে তার এই প্রশ্নের উত্তর জানার কথা না । এবং সত্যই- যখন নবীজী (সাঃ) কে প্রশ্নটি করা হলো তিনি উত্তর দেননি, কারণ আল্লাহর তরফ থেকে কোন উত্তর আসেনি ।আল্লাহ তরফ থেকে “রুহ্” কে রহস্য করে রাখা হয়েছে ।

.

আরাফাত ভাই আরো কিছু বলতে চাচ্ছিলেন কিন্তু ততোক্ষণে আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌছে গেছি তাই কথা আর শেষ হলো না । আমরা যে বাসার সামনে CNG থেকে নামলাম সেটা একটা নতুন একতলা বাড়ি, বাইরের আস্তর এখোন পুরা দেওয়া হয়নি ।বাড়ির সামনে ৫-৬ টা টব, তাতে শুকিয়ে যাওয়া গাছ। বুঝাই যাচ্ছে আনেক দিন এদের যত্ন নেওয়া হয়নি । বাসার সামনে ২৫-২৬ বছরের এক যুবকে দাড়িয়ে থাকতে দেখলাম । হালকা পাতলা গড়ন, শ্যেমলা- খুবই সাধারণ একজনের মতই, কিন্তু ছেলেটার চোখ অন্য কথা বলে । কি যেন আছে ঐ চোখে, এত তীক্ষ্ন চাহনি- যেন মনের ভিতরটা পড়ে ফেলছে । আরাফাত ভাই আমকে ওনার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন ইনিই হলেন সেই রাহাত । আজকের Program এর Coordinator রাহাতের সাথে হাত মিলালাম , এবং চমকে উঠলাম । অসম্ভব ঠান্ডা হাত । রাহাত ব্যাপারটা টের পেল ।

.

আরাফাত ভাই কিছু বলতে চাচ্ছিলেন রাহাত তাকে থামিয়ে দিয়ে বল্লো- ভাই কথাতো আনেক চলবে । এই জায়গাটা ভাল না , তার উপর সময়টাও খারাপ । দেখেন সূর্য ঢুবে যাচ্ছে । রাহাত হাত ইশারায় পশ্চিম দিকটা দেখালো -

.

এখন জানুয়ারি মাস চলছে । সূর্য আকাশ রাঙিয়ে আস্তে আস্তে দিগন্তে হারিয়ে যাচ্ছে । কিছু টিয়া পাখি মাথার উপর দিয়ে উড়ে চলে গেল । হালকা শীত শীত লাগছে । পরিবেশটা কেমন উদাস করা । ঝড়ের আগে সব কিছু যেমন থমকে থাকে । সেই রকম প্রকৃতিও যেন কোন কিছুর জন্য অপেক্ষা করছে ।

.

আমি বল্লাম : জায়গটা ঠিক না বুঝলাম , কন্তু সময়টাও খারাপ বলছেন কেন ?

.

রাহাত একটু হেসে উঠে বল্লো- বেলা বদলের সময় এটা - এটা না দিন, না রাত । দিনকে গ্রাস করে রাত আসছে । এ সময় সব আলোর প্রাণিরা ঘরে ফিরে আসে আর আধাঁরের প্রানি প্রস্তুতি নেয় বের হবার । এই সময় ফেরেশতাদের ও বদলি হয় । সময় টা কিছুটা অরক্ষিত থাকে । চলেন ঘরে ঢুকে কথা বলি ।

.

আমারা তিন জনই বাসায় ঢুকলাম- বসার ঘরটা সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের যে রকম হয় সেই রকমই, সব কিছু সুন্দর ভাবে গোছানো । বেতের সোফা সেট, পাশে সাইড টেবিলে পাতাবাহার দিয়ে সাজানো ফুলদানি । দেওয়ালে চলতি বছরের একটা ক্যালেন্ডার । একপাশে ছোট একটা সিঙ্গেল খাট । মজার ব্যাপার হলো খাটে মশারি টাঙ্গানো ছিল ।

.

সোফায় বসতে বসতে আরাফাত ভাই জিগ্যেস করলেন জীন নামানোর আনুষ্ঠানিকতা কখন শুরু হবে । জানা গেল যেই ভদ্রলোক জীন নামাবেন তিনি থাকেন বাড্ডাতে- ফোনে কথা হয়েছি, উনি রওনা দিয়ে দিয়েছেন । ১০-১৫মিঃ টের মধ্যে পৌছে যাবেন । এর মধ্যে আমরা মাগরেবের নামাজটা পড়ে নিলাম । প্রথম দেখেই মশারির ব্যাপারটা আমার কাছে একটু কেমন জানি খটকা লাগছিল- তাই জিজ্ঞাস না করে পারলাম না, এটা জীন নামানোর সাথে সম্পর্কৃত কি না ? জানা গেল- হ্যা, “জীন” কখনো মানষকে সামনা সামনি দেখা দেয় না । তার জন্য আরালের ব্যবস্থা করতে হয় । আমার ধারণা ছিল “জীন” কোন মানুষের উপর ভর করে নামে । জানা গেল এটি একটি উপায়- তবে, “জীন” যে কোন প্রাণীর উপরই ভর করতে পারে এবং কোন media ছাড়াও কথা বলে । “জীন” যখন কোন ঘরে আসে- তখন বেসির ভাগ সময় টিকটিকির রূপ নিয়ে আসে ।

.

এই সময় আরাফাত ভাইয়ের চাচা ঘরে ঢুকলেন- দেখেই বুঝা যাচ্ছে আনেক চিন্তিত-

রাহাতের ফোন বেজে উঠলো- যার আসার কথা উনি চলে এসেছেন, বাসার বাইরে দাড়িয়ে আছে । রাহাত বের হয়ে গেল ওনাকে আনতে- কিছুক্ষণ পরেই দু’জন লোককে নিয়ে রাহাত ঘরে ঢুকলো- একজন লুঙ্গী পড়া, বুঝাই যাচ্ছে সাগরেদ । অন্য জন- মাঝ বয়সি এক জন ভদ্রলোক Clean Shaved শর্ট-প্যান্ট পড়া । আমি আসলে ঠিক এমনটা আশা করিনি । যাই হোক- তার সাথে সবার পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলো- উনি হচ্ছেন মোঃ কায়েছ ।

Sunday March 9, 2008 - 01:04am (BDT) Permanent Link | 16 Comments
নিরিন্দ্রিয়
নিরিন্দ্রিয় magnify

ব্যাপারটা ঘোটলো ঠিক শেষ দুপুরের আগে আগে : ৩০ কি ৪ টা বাজে, অমি PCর সামনে messenger- sign in করে বসে আছি, হুদাই- কোন কাজ নাই, অপেক্ষায় আছি আসরের আজান দিলে নামাজ পড়তে যাব। কয়েকদিন ধরে আবহাওয়াও বাংলা সিনেমা দেখা শুরু করছে- “কখনো মেঘ, কখনো রদ্দুর” আজকের বেলাটা একটু মেঘলা- তাই একটু শীত লাগতেছে। মনে মনে ভাবতে ছিলাম এক কাপ চমৎকার কফি হইলে মন্দ হইতোনা। ঠিক এই সময়ে হঠাৎ messenger এক window open হইলো। আমার friend list এ কেউ on line show করছিলনা তাই একটু ঝাঁকি খাইলাম। কেরে বাবা তুই ? জানি না চিনি না এই সময়ে, একটু অবাকই হলাম।

Stranger: hi

Me: hello

Stranger: can u do me a favor

Me: may I know who am talking with?

Stranger: I’ll pay u

আমি অপরিচিত কার সাথে chat করিনা । যাদের সাথেই আমি chat করি তারা কোন নো কোন ভাবে আমার পরিচিত। so এই রকম কিছুর জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না, তাও আবার এইরকম কিছু একটার জন্য। একবার ভাবলাম close করে দেই.. কিন্তু শয়তানে কনে শুরশুরি দিলে যা হয়- ভাবলাম দেখিই না কি হয়।

Me: what r u talking about?

Stranger: i’ll tell u

Stranger: tell me wot u thnk about killing a person

Me: who r u? I don’t like this kinda play

Stranger: ohh I got it. u don’t have any guts

Me: it doesn’t matter to me

Stranger: don’t u wanna b rich… famous

Me: asl plz

Stranger: ha ha ha ha ha ha ha ha

আমার রুমটা বাসার অন্যান্য রুমের চেয়ে একটু বেশিই নিঝুম, শান্ত। চোখ দিয়ে পড়া ঐ ha ha ha ha লেখা গুলো যেন আমি আমার কানে শুনতে পারছিলাম। রুমটাও কেমন যানি একটু বেশি ঠান্ডা ঠান্ডা লাগছিল। আমি জানি cyber word বা vertual world যাই বলিনা কেন, এই রকম রসিকতা হর-হামেশাই হচ্ছে, এগুলাকে পাত্তা দেওয়ার কোন যুক্তি নাই তবুও, এমন একটা কিছু ছিল- এমন একটা কিছু হচ্ছিল যা আমাকে আরো qurious করে তুল্লো।

Me: r u crazy... : ))


Stranger: u don’t get it, don’t u

Stranger: u r d chosen 1 …ha ha ha ha

Me: wot? Who choose me : P

Me: don’t say Dipika Parkune =))

Stranger: aren’t ur BD 28th 11

Me: yaa.. so?

Stranger: that’s means u r Sagittarius

Me: hmm

Stranger: don’t u have a birth sign in ur left arm

ঠিক এই মুহুর্তে আমি একটা ধাক্কা খেলাম, করণ birth date জানাটা অসম্ভব না but birth

Sign !! ? :O তবুও আমি তখোন পর্যন্ত sure ছিলাম যে আমার কোন close friend আমারে ফাপোর দিতেছে so আমিও ফাজলামি আরম্ভ কররাম।

Me: ohh I see …u know lot of things about me,, cool dude!

Stranger: so tell me where did u hide the knife

Me: lol - ha ha ha ha… wot knife?

Me: the 1 with my mom cuts onions?

Me: ya ya u caught me man. I killed d knife & berried it under the mango tree..

Stranger: I am talking about your Dream

Stranger: d knife u got n d Dream

Me: what Dream?

Me: I don’t know any thing… get lost!!

Stranger: u don’t know what r u dealing with

Stranger: b cooperative & nothing will happen to u

এইবার আমি সত্যই একটু ভয় পেলাম, nervous হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ যে স্বপ্নের কথা আমি এখনো কাউকেই বলিনাই তা এই অদ্ভুৎ মানুষ বা আর যাই হোক- তার জানার কথানা।

কয়েক দিন ধরেই প্রায় প্রতি রাতেই আমি এক অদ্ভুত্, বিদ্ঘুটে সপ্ন দেখতেছি। আমার ঘুমের সমস্যা আছে। সারা রাত বলতে গেলে আমি না ঘুমাই কাটাই। শেষ রাতের দিকে আমার ঘুম আসে। কদিন ধরে যেটা হচ্ছে- চোখটা একটু লেগে আসলেই দেখি- আমি কোন একটা বাজারের মাঝখানে দাড়িয়ে আছি, অনেক সোরগোল। বাজাটায় কেমন একটা গ্রাম্য ভাব। ঠিক খোলা মাঠে, আকাশের নিচে এরকম বাজার সচরাচর দেখা যায় না। সারিবেঁধে লোকজন তাদের মালপত্র নিয়ে মাটিতে বসেছে। পরিবেশটা কেমনজানি! মেঘলা আকাশ, হীম বাতাস দিচ্ছে। চারপাশের লোকগুলো খুবই ব্যাস্ত- সবারই যেন খুব তাড়া। বাজারটার একপাশে বেশ একটু দূরে একটা বিশাল গুরি বাধানো বটগাছ- আমি হঠাৎ আবিষ্কার করলাম আমি সেই বট গাছটার নিচেই দাড়িয়ে আছি, দূরে বাজারের হট্টোগোল আর শুনা যাচ্ছেনা, তার বদলে একটাখুব মিস্টি বাঁসির সুর ভেসে আসছে কোনদূর থেকে। বাঁসির সুরটা এতোই মধুর, এতোই সুন্দর যে আমি যেন কেমন তলিয়ে যাচ্ছি। নিচে আরো নিচে। এভাবে কতোক্ষন চল্লো জানিনা। তবে এক সময় বাঁশির সুরটা বিকৃত একটা কান্না, গোঙ্গানির মত হয়ে গেল। ওহ! কি অসহ্য আওয়াজটা! যেন কোন পশু কে জবাই করা হইছে। গ্যায়য়য়য়য়য়য়য় গ্যায়য়য়য়য়য়য় যেন এখনো জান যা নাই। খন আমার চারপাশটা ঘুটঘুটে অন্ধকার আর খুব শীত লাগছে। আমি সেইবট গাছটার নিচে খনো সেভাবেই দাড়ায় আছি। আমার ভিতর তখন একটা ভয়ঙ্কর আতঙ্ক পেয়ে বসেছে। চারপাশটা এতোই অন্ধকার আর গোঙ্গানির আওয়াজটা এতোই প্রখর যে আমি বুঝছিনা আমার পাশে কেউ আছে কিনা। ভয় আমার রক্তের প্রতিটা কনায় কনায়, আমার হৃতপিন্ড যেন ছিটকে বেড় হয়ে আসবে। আমি কিছুই চিন্তা করতে পারছিনা। ঠিক এমন সময়- হঠাৎ করে কে যেন আমাকে প্রোচন্ড জোরে যাপ্টে ধরলো । আমি চিৎকার করতে চাচ্ছি কিন্তু পারছিনা, আমার মুখ কেউ চেপে ধরেছে। কেউ আমার সারা শরির বেঁধে ফেলছে। আমার চোখ খোলা- কিন্তু অন্ধকারে আমি কিছুই দেখছিনা। আর সেই অসহ্য গোঙ্গানির আওয়াজটা, আল্লাহ্! আল্লাহ্! আল্লাহ্! এখন আমি বুঝতে পারছি আমার পরিনতি কি হতে যাচ্ছে-

To be continued…

Wednesday February 27, 2008 - 01:08am (BDT) Permanent Link | 16 Comments
What's hallucination !?
What's hallucination !? magnify

Hallucination. People don’t like that word. It suggests seeing things that aren’t there. It is incorrectly associated with madness. Yet I’m convinced it can hold the key to much of the paranormal. However, we need to reassess what hallucination is.


First of all, provided you do not suffer hallucinations all the time, there is nothing strange about them. Further, to occasionally hallucinate is not to lose grip on reality. As we will see shortly, to hallucinate is a natural physiological function.

BELIEVERS CAN BE SCEPTICAL

Believers in classic interpretations of the paranormal offer another misconception about hallucination. They say there is a difference between seeing real phenomena and hallucinating. Is this the case, or do hallucinations come in degrees of severity? I suppose the best way to understand this point is to make a hallucination analogous to a dream. Most of the time we know we are dreaming, but in the lucid dream we experience something so ‘real’ we cannot make the separation between reality and dream.


Like hallucination, a dream is a mind function, so if we can mistake a mind construct for reality in the dream, then it is natural to assume we can do the same with a hallucination.

WHY WE EXPERIENCE THEM

From the 1950s onwards, test after test has shown a simple reality. Remove, or disrupt, our attention on the real world and a hallucination can easily be the outcome. From floatation tanks to sensory deprivation, this has been the case.


From this we can learn something about the mind. Whilst the senses can be disrupted, the mind itself continually attempts to validate what it sees. Hence, if it has insufficient data from the senses, it will fill in the gaps itself.


The result can often be what we call a hallucination, whereas in reality it is simply the mind completing the picture, and usually based on information from within the mind. Hence, a hallucination of this kind is very much a product of your mood or worldview.

ENVIRONMENT v MIND

In this sense, it is best to see hallucination, not as a form of madness, but a ‘brief moment of decalibration.’ It is a natural outcome of the removal, or disruption, of sensory information. And this can occur for many reasons.


One obvious reason is tiredness or confusion. Seeing something due to the latter can better be seen as an illusion, but is obviously a related phenomenon. But the paranormal is full of instances of tiredness playing tricks with the mind and producing phenomena.
We are now also beginning to see the effect the environment can have on the senses and the mind. From infra-sound to electromagnetism, chemical changes can occur in the brain, causing hallucination. The thunderstorm/ghost is no longer a simple fictional tale.

SEEING THINGS

Sightings of ghosts or demons are usually discounted as hallucination because, not only are they so ‘real’, but they are also accurate to what it is expected to see. But this in itself could find an answer in the hallucination.
Through the phenomenon of cryptomnesia we know that the unconscious retains vast amounts of information you don’t realize is there. The mind gains information by the bucket load by simply scanning a newspaper.


We thus have, in the mind, an encyclopedic memory store that, when prompted by someone’s conviction, or the culture of the location you are in, can spill out accurate information to allow a believable hallucination to take form.

IS A HALLUCINATION REAL?

To summarise, a hallucination is a natural mind state – a brief moment of decalibration – caused when sensory input is disrupted. It is not madness. Further, hallucinations can appear ‘real’, so the argument that a ghost or demon is not a hallucination doesn’t hold.
However, a hallucination can be based on accurate historic information from the unconscious. Does this accuracy give the hallucination a greater foundation in reality than we as yet accept? Does the gap between imagination and a real ‘spirit’ form close?


Such a question would seem pointless because hallucinations of this order are thought to be rare. But is this really the case? After all, if hallucination is as ‘real’ as the real world, how can we be sure that the stranger in front of us is there?

Sunday February 24, 2008 - 08:28pm (BDT) Permanent Link | 6 Comments
আমার অমর একুশে
আমার অমর একুশে magnify
এভাবে ভাষার জন্য শহীদ হওয়ার ঘটনা
ইতিহাসে আর নেই,
একটু ভেবে দেখ-
.
যে অক্ষর দিয়ে হৃদয়ে দাগ কাটি
যে ভাষায় ঠুকরে কেঁদেউঠি
তাঁর জন্য কি চড়ম মুল্যইনা দিতে হয়েছিল আমাদের
.
রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই ভাষা
জীবনের মুল্যে পাওয়া আমার এই মাতৃ ভাষা
আমার অহংকার, আমার গর্ব!
.
একুশের এই প্রহরে-
সেই সকল ভাষা সৈনিকদের গভির শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি
বীর শহীদের আত্মার মাগফিরাতের ফরিয়াদ করি

Wednesday February 20, 2008 - 11:52pm (BDT) Permanent Link | 7 Comments

Add saj's Diary to your personalized My Yahoo! page:

Add to My Yahoo!RSS About My Yahoo! & RSS
1 - 5 of 40 First | < Prev | Next > | Last