Yahoo! 360° News | Beta Feedback
Start your own Yahoo! 360° page

আমি আজন্ম ভবঘুরে, মৃত্যুহীন পথিক, এক দিন তুই ও এই পথে আসবি,কিন্তু সেই দিন পথিক থাকবে না।। Reply

1 - 5 of 42 First | < Prev | Next > | Last

আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম , Full Post View | List View

হায়, আমি মানচুমাহারা। বুয়েটের আশেপাশে ঘুরাঘুরি। সারাদিন কিবোর্ড আর মাউস নিয়ে কাটিয়ে দিই।

স্মৃতিরা ঘুরে ফিরে আসে, ভিন্ন অনুভূতি ভিন্ন ছোঁয়া নিয়ে
ছোট বেলা থেকে হালকা পাতলা লেখা লেখি করতাম। সামহোয়ারইন ব্লগ, ইয়াহু ৩৬০ ও অবশেষ প্রজন্ম ফোরামের সাথে পরিচিত হবার পর লেখালেখিটা একটু বাড়ে। তবে কোন দিনও সিরিয়াসলি লেখা হয়নি। যা মনে আসে তাই লিখি। ইদানিং কাজের ব্যস্ততায় লেখা হয় না।

আমার আজকের এই লেখাটা বড় কোন লেখা নয় বরং পুরানো একটা স্মৃতির পূনঃরোমন্থন। হ্যাঁ স্মৃতিরা ঘুরে ফিরে আসে তবে ভিন্ন অনুভূতি বা ভিন্ন ছোঁয়া নিয়ে। অনেক আগে একবার একটা লেখা দিয়েছিলাম  স্মৃতি রোমন্থন নামে। এটা মনে হয় প্রজন্মতেও দিয়েছিলাম কিন্তু আজকে খুঁজে পেলাম না। যাই হোক লেখাটা ইয়াহু ৩৬০ থেকে লিঙ্ক দিলাম।
নিচের টুকু বোঝার জন্য আগের লেখাটা পড়া দরকার।

বাচ্চাটার নাম ছিলো গোরাঙ্গ...
হ্যাঁ গৌরাঙ্গ আজ নেই কিন্তু আজকে সংবাদ পেলাম তার একটা ভাই হয়েছে। ওদের ঘর আবার খুশিতে ভরে উঠেছে। ওর মা-বাবার সাথে ফোনে কথা বল্লাম। নতুন কাকুর চেহারা নাকি অবিকল গৌরাঙ্গের মতো হয়েছে। এবার বাড়ি গেলে হয়তো নতুন কাকুর সাথে খেলা করবো।

........................আর কিছু বলার নাই কারণ আমি লেখক নই।
Monday January 7, 2008 - 08:52pm (BDT) Permanent Link | 4 Comments
মনের রাজ্যে ভবঘুরে(পথিক-৩)
মনের রাজ্যে ভবঘুরে আজন্ম উচ্ছন্ন আমি
ফেরি করি নিঃসর্গ আত্ম চিৎকার।
প্রজাহীন, রানীহীন রাজ্যে একলা পথিক আমি
প্রতিদিন জন্মদিই অসংখ্য মিথ্যা ভালোবাসার।

নেহাত নির্লজ্জ আমি নিরুপায় হয়ে পথশিশুর হাতে-
তুলে দিই অর্ধেক খাওয়া উলঙ্গ আইসক্রিম,হায়রে পথিক!

প্রায় অকেজো হয়ে যাওয়া আমার মুঠোফোন বেজে চলে,
আমি ধরি না, না জানার ভান করে বসে থাকি,এক সাধারন অভিনেতা আমি,মু হা হা।

নাগরিক পথিক আমি চারিপাশের অসংখ্য অসংগতি দেখে কষ্ট পায়,আনমনে গালি দিই,কাকে ?

আমি জানি না, আমি জানি না, আমি জানি না।
আমি সত্যিই জানি না...।।

===============================================
আমার কবিতার সাইটঃ মানচুকাব্য
===============================================
আমাদের প্রযুক্তি...
প্রযুক্তির সব কিছু চাই বাংলায়...

==============
বাংলা অনুসন্ধান করুন====================




অসমাপ্ত কবিতা
অসমাপ্ত কবিতা magnify
ডায়েরীর পাতা জুড়ে অসংখ্য অসমাপ্ত কবিতা,
আমার অসম্পূর্ণ পথচলার চিহ্ন নিয়ে
কবিতা গুলো আমার দিকে নিঃস্পলক তাকিয়ে আছে।

আমার অর্ধনগ্নতা কিংবা অশালীন ভন্ডামী...
আমি কবিতা গুলো সম্পূর্ণ করি না-
আমি আমার অসমাপ্ত সৃষ্টি নিয়ে খেলা করি।

অস্পষ্ট-অপুষ্ট অনুভূতি গুলো গোটা গোটা অক্ষরে
চকচক করছে। এক লাইন-দুই লাইন খন্ড খন্ড বোধ!

প্রচন্ড কাজের চাপেও ওরা উঁকি দেয়, মনের ভেতরটা-
ডুকরে ওঠে। নিজেকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেই।
কম্পিউটার এর স্ক্রীন হতে চোখ সরিয়ে আবার
কলম হাতে নিই, আলতো করে ডায়েরীর পাতায়
পরম মমতায় চোখ বুলাই...

আবার প্রিয় পংক্তিমালা নিয়ে মেতে থাকি...
আমার সৃষ্টি গুলো পূর্ণতা পায়।

আমি আমার অসমাপ্ত কবিতা গুলো পুনঃপ্রসব করি ।।

...........................................................................
উৎসর্গঃ মিতু আপুকে............... পাগল একটা।
মানচুমাহারা
১৪.০৯.০৭
কোন শিরোনাম দিতে পারছি না ( মানচুমাহারার পথ চলা-৫ )
আমার পথের গল্প গুলো আমার জীবন থেকে নেওয়া। মাঝে মাঝে ভালো লাগে সবাইকে কিছু কিছু ঘটনা জানাতে। যদি আপনার একটুকু অবসর থাকে তো আসেন না আমার পথের গল্পের এই পর্বটা আপনাকে বলি।

গল্পের শুরুটা রাত এগারোটায়। এক ছোট ভাই এসে বলল, দাদা ব্লাড দিতে পারবেন ? আমার শেষ বার রক্তদানের পর পাঁচ মাস পার হয়ে গেছে। আর এই একটা ব্যাপারে কাউকে ফিরিয়ে দিতে পারি না যদি চার মাস পার হয়ে যায় । আমি যে কাউকে রক্ত দিতে গিয়েছিলাম সেই বাহাদুরির কাহিনী বলতে চাই না। হল থেকে বের হলাম। রাস্তায় একজন রিক্সাওয়ালা পেলাম। অনেক বিনয়ের সাথে বললাম ভাই ঢাকা মেডিকেল যাবেন। বললো না। তাকে অনেক বুঝালাম যে ভাই এক জন মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দিতে যাব দয়া করে আমাকে একটু পৌচ্ছায় দেন। কিছুতেই রাজী হলো না। তবে একটু পর অন্য একজনকে পেলাম। সেও প্রথমে যেতে রাজী হলো না। তবে আমার ভেতরের কথা শোনার পর রাজী হয়ে গেলো।

বক্সীবাজারের কাছে আসতে আসতে একটা রিক্সা দুইজন যাত্রী নিয়ে উল্টে গেলো চোখের সামনে। যাত্রীদের একজন একটু ব্যাথা পেয়েছেন তবে রিক্সাওয়ালা রিক্সার নিচে আটকা পড়েছেন। আমি সহ আরো দুইএকজন এসে তাকে রিক্সার নিচ থেকে উঠানো হলো। আমি আমার রিক্সায় উঠে আমার গন্তব্যের দিকে রওয়ানা দিলাম আবার।

রক্তদানের জন্য ঢাকা মেডিকেলের কাংখিত স্থানে চলে গেলাম। যিনি রক্ত সংগ্রহ করলেন তার সুঁচ ফোটানোর পারদর্শীতায় আমি তো মুগ্ধ। আমার রক্তদানের অবিজ্ঞতা বেশ, কারন আজকে দিয়ে তের বার দিলাম(কিছু মনে করবেন না, নিজেকে একটু ভালো মানুষ বানালাম)।

হাসপাতালে আমার যাওয়া পড়ে বেশির ভাগ সময় রক্ত দানের জন্য। তবে বিভিন্ন ওয়ার্ডে জানালা দরজার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে রোগীদের অবস্থা দেখে খুব খারাপ লাগে। তাই যাকে রক্তদান করি পারতপক্ষে তাকে দেখতে যাই না।

ঢাকা মেডিকেলের ভেতর একবার ঢুকলে আমি আর বের হবার পথ পাইনা। জানি না এটা আমার একার সমস্যা কিনা। তবে অনেক কষ্টে জরুরী বিভাগ দিয়ে বের হবার পথ খুঁজে পেলাম। কিন্তু কেন আমি এই পথেই আসলাম। আরো তো অনেক গুলো পথ ছিলো। হয়তো এই পথে না আসলে আমার পথের গল্প লেখা হয়ে উঠতো না। জরুরী বিভাগে এই মাত্র একজন আগুনে পুড়ে যাওয়া রোগী এসেছেন। হয়তো অবাক হচ্ছেন এমন রোগী প্রতিদিনই আসে হয়তো। কিন্তু ঐ মহিলা কোন দূর্ঘটনার স্বীকার নন। তাকে আগুন দিয়ে ঝলসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এই কাজটি করেছে তার স্বামী। রোগীর একজন আত্মীয়ের কাছে শুনতে পারলাম যৌতুকের জন্য তার স্বামী তাকে কেরোসিন তেল দিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। তার দুই পায়ে ব্যান্ডেজ। হয়তো পায়ের রগ কাটার মতো কিছু ঘটেছিল। তবে ................আমি ঠিক বর্ননা দিতে পারছি না তার ঝলসানো শরীরের বর্ননা দিতে। আমি হতোবাক হয়ে কিছু সময় তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। লজ্জ্বা নিবারনের জন্য কাপড় জড়ানো অসশ বাদে মুখ হাত গা বীভৎস ভাবে ঝলসে গেছে। সে অনেক কষ্টে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। আর কিছু লিখতে পারবো না। আমি নিজেও বেশ আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েছি......।

কিন্তু যৌতুকের জন্য একজন স্বামী তার স্ত্রীর গায়ে তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেবে। এমন পাশবিক কাজ কিভাবে করতে পারে একজন ???? সে কি মানুষ ......। আমি জানি আমার প্রশ্নের কোন উত্তর নাই হয়তো...।

আমার আগামীকাল একটা ক্লাসটেস্ট ছিলো। ভেবেছিলাম রক্ত দিয়ে এসে পড়বো কিন্তু তা আর সম্ভব নয়। আজকের পথের গল্প গুলো এখানে শেষ। কেউ মনে ব্যাথা পেয়ে থাকলে আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। হয়তো সব টুকু বলা ঠিক হয়নি। ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুক।
জানালা ফাঁদ
জানালার ফাঁক গলে উড়ে যায় শূন্যতা
চুপি চুপি রোদ্দুর ভেংগে দেয় মৌনতা।

যৌবনবধি এ শরীরে দোল দিয়ে যায় উলঙ্গ বাতাস
আদরের ভালোবাসা গুলো ক্রমে হয়ে যায় ইতিহাস ।

পথ ভুলে ধেয়ে আসে ঝড়,ভেঙে ফেলে জানালা বাঁধ
ঠান্ডা বাতাস কাঁপন তুলে ছুঁয়ে যায় আমার কাঁধ।


স্বপ্ন গুলো উড়ে যায় ছাদ ফুঁড়ে,হয়ে যায় নীল ঘুড্ডি ।।

সব কিছু চলে যেতে চায়,ফুরিয়ে যায় সময়
আমার খোলা জানালার ফাঁদে শুধু কবিতা-
আটকে পড়ে। জড়িয়ে যায় ক্লান্তিহীন অমোঘ ভালোবাসায়।

প্রেম করি পথের ঈশ্বর,খোলা জানালা,বিছিন্ন কবিতা
প্রেম করি একা-পথ,ভোরের রোদ্দুর আর
শত ছিদ্র যুক্ত এক ঘেঁয়েমী জীবনের পাতা ।

আমার জানালার ফাঁক গলে ঢুকে পড়ে নিরবতা
মনের আঙিনায় ভর করে যত ভবঘুরে কবিতা ।।

মানচুমাহারা
১৫.০৭.০৭

Add আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম , to your personalized My Yahoo! page:

Add to My Yahoo!RSS About My Yahoo! & RSS
1 - 5 of 42 First | < Prev | Next > | Last